মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪
৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লোকনাথ নার্সিং হোমে চিকিৎসা অবহেলায় নবজাতক মৃতুর মুখে।

অনলাইন ডেস্ক | আপডেট: শনিবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩

লোকনাথ নার্সিং হোমে চিকিৎসা অবহেলায় নবজাতক মৃতুর মুখে।
এম.এম হায়দার আলীঃ
সাতক্ষীরা জেলারজ পাটকেলঘাটার বেসরকারি চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র  লোকনাথ নার্সিং হোম এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক প্রসূতি মায়ের ডেলিভারিকে কেন্দ্র করে কর্তৃপক্ষের চিকিৎসা অবহেলায় এক নবজাতক জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে। সুচিকিৎসার জন্য পরিবারের লোকজন দিশেহারা হয়ে ডাক্তারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। সরজমিনে প্রসূতির মা নাসিমা বেগম এ প্রতিবদককে জানান, আমার মেয়ে শালিনা ইয়াসমিন কে গত কাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে  লোকনাথ নার্সিংহোমে ভর্তি করি। ঐদিন রাত ১০টার দিকে মেয়ের প্রসব বেদনায় ছটফট করার বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে  জানালে। ডাক্তার রাত একটার দিকে আসবে বলে জানান।তখন ওটির জন্য ক্লিনিকের পরিচালক পুলক পাল ৮ হাজার টাকার ওষুধ কিনে রেখে তিনি  বাড়িতে চলে যায়। এদিকে আমার মেয়ের অবস্থার অবনতি হলে ক্লিনিকে থাকা নার্সদের কাছে  ডাক্তার কখন আসবে  জিজ্ঞেস করলে সময় ক্ষেপন করতে থাকে। একপর্যায়ে ডাক্তার না থাকায় আমার মেয়েকে রাত ২টায়  নরমাল ডেলিভারি করানো হয়। সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া নবজাতক শিশু কান্নাকাটি না করায় তাদের মনে ভয় ধরে যায়। একপর্যায়ে ওই রাতেই ক্লিক কর্তৃপক্ষ খুলনা সিটি হসপিটালে আইসিইউতে ভর্তি করে। এ ঘটনা সকালে জানাজানি হওয়ার পর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সহ সমাজের আলো অনলাইন পেজে বিষয়টি নিয়ে লাইভ দেখানো হয়। এসময় ক্লিনিকে কর্মরত নার্সেরা সাংবাদিকদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। তাৎক্ষণিক ভাবে বিষয়টি সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনের নজরে আসলে। তিনি  তালা উপজেলা স্বাস্থ্যও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা  রাজিব সরদার কে নির্দেশ দিলে তিনি সরজমিনে তদন্তে আসেন। এ সময় সাংবাদিকরা তার কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা পান  বলে সাংবাদিকদের জানান।  এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেবেন কিনা জানতে চাইলে। তিনি বলেন বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে তিনি জানান। এদিকে ক্লিনিক এর পরিচালক পুলক কুমার পাল জানান, আমাদের কোন দোষ নেই। বাচ্চা অসুস্থ হলে আমরা  খুলনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে ভর্তি করেছি।
0 Comments